
শিশুর জন্মতারিখ দিন — সরকারি টিকাদান কর্মসূচির (ইপিআই) সূচি অনুযায়ী কোন টিকা কোন তারিখে দিতে হবে, আর কোনটির সময় পেরিয়ে গেছে, এক নজরে দেখে নিন।
সরকারি সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির (ইপিআই) সূচি, অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত হালনাগাদ।
জন্ম থেকে ১৫ মাসের মধ্যে ছয়বার টিকাকেন্দ্রে যেতে হয়: জন্মের পর, ৬, ১০ ও ১৪ সপ্তাহে, এবং ৯ ও ১৫ মাস পূর্ণ হলে। এতে যক্ষ্মা, পোলিও, ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি, ধনুষ্টঙ্কার, হেপাটাইটিস-বি, হিব, নিউমোনিয়া, হাম, রুবেলা ও টাইফয়েডের টিকা দেওয়া হয়।
দেরি হলেও টিকা দিন — বাদ দেবেন না। আগের ডোজগুলো আবার শুরু থেকে দিতে হয় না; যেখানে থেমেছিল সেখান থেকেই চলে। টিকা কার্ড নিয়ে নিকটস্থ টিকাকেন্দ্রে যোগাযোগ করুন।
টিকার পর হালকা জ্বর, ইনজেকশনের জায়গায় ব্যথা বা ফোলা স্বাভাবিক, ১–২ দিনে সেরে যায়। জ্বর খুব বেশি হলে, শিশু একটানা কাঁদলে, খিঁচুনি হলে বা নেতিয়ে পড়লে দ্রুত ডাক্তার দেখান।
১ আগস্ট ২০২৬ থেকে নিয়মিত কর্মসূচিতে ১৫ মাস বয়সী শিশুদের এক ডোজ টাইফয়েড টিকা (টিসিভি) দেওয়া হচ্ছে — এমআর টিকার দ্বিতীয় ডোজের সাথে একই দিনে।
৫ম থেকে ৯ম শ্রেণির ছাত্রী বা ১০–১৪ বছরের কিশোরীদের জরায়ুমুখ ক্যানসার প্রতিরোধে এক ডোজ এইচপিভি টিকা দেওয়া হয়। ১৫–৪৯ বছরের নারীদের জন্য আছে ৫ ডোজের টিডি (ধনুষ্টঙ্কার-ডিপথেরিয়া) টিকা।
সূচিটি বাংলাদেশ সরকারের সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) অনুযায়ী, অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত হালনাগাদ। সরকার সূচি বদলাতে পারে — শিশুর টিকা কার্ডে লেখা তারিখ ও স্বাস্থ্যকর্মীর পরামর্শই চূড়ান্ত।