
আমাদের তালিকায় থাকা সব ঢাকার বন্ধ্যাত্বের ডাক্তার — মোট ২৬ জন বন্ধ্যাত্বের ডাক্তার, যাঁরা চিকিৎসা করেন নারী ও পুরুষের বন্ধ্যাত্ব, প্রজনন সক্ষমতার পরীক্ষা, ডিম্বস্ফোটনের সমস্যা, আইইউআই, আইভিএফ এবং সন্তান না হওয়ার হরমোনজনিত কারণ।
যেকোনো প্রোফাইল খুলে দেখুন ডিগ্রি ও প্রশিক্ষণ, কত বছরের অভিজ্ঞতা, ঢাকার চেম্বারের ঠিকানা, কোন দিন কখন বসেন, ভিজিট ফি কত, আর অন্য রোগীরা কেমন রেটিং দিয়েছেন।
এমবিবিএস, ডিজিও, এফসিপিএস (রিপ্রোডাক্টিভ এন্ডোক্রাইনোলজি ও বন্ধ্যাত্ব), এফসিপিএস (গাইনি ও অবস)
অভিজ্ঞতা: তথ্য দেওয়া হয়নি
অভিজ্ঞতা
তথ্য দেওয়া হয়নি
বন্ধ্যাত্ব ও আইভিএফ বিশেষজ্ঞ
এমবিবিএস (ডিএমসি), এফসিপিএস (গাইনি ও অবস), এফসিপিএস (রিপ্রোডাক্টিভ এন্ডোক্রাইনোলজি ও বন্ধ্যাত্ব)
অভিজ্ঞতা: তথ্য দেওয়া হয়নি
অভিজ্ঞতা
তথ্য দেওয়া হয়নি
বন্ধ্যাত্ব ও আইভিএফ বিশেষজ্ঞ, ল্যাপারোস্কোপিক ও হিস্টেরোস্কোপিক সার্জন
সাধারণত নিয়মিত অসুরক্ষিত সহবাসের পরও এক বছরে গর্ভধারণ না হলে, বা স্ত্রীর বয়স ৩৫ বা তার বেশি হলে ছয় মাসে না হলে, একে বন্ধ্যাত্ব ধরা হয়। কারণ স্বামী, স্ত্রী বা দুজনেরই হতে পারে — তাই ভালো বিশেষজ্ঞ দুজনকে একসাথে দেখেন। ডিম্বস্ফোটনের সমস্যা থেকে শুরু করে শুক্রাণু কম থাকা পর্যন্ত অনেক কারণেরই চিকিৎসা আছে।
শুরু থেকেই সাধারণত দুজনেরই পরীক্ষা হয়: স্বামীর সিমেন অ্যানালাইসিস, আর স্ত্রীর হরমোনের রক্ত পরীক্ষা, আল্ট্রাসনোগ্রাম এবং প্রায়ই টিউব খোলা আছে কি না তা দেখার পরীক্ষা। আগের রিপোর্ট আর স্ত্রীর মাসিকের তারিখগুলো সঙ্গে নিন।
বন্ধ্যাত্ব জরুরি অবস্থা নয়, তবে বয়স গুরুত্বপূর্ণ — তাই প্রথমবার ডাক্তার দেখানো পিছিয়ে রাখবেন না। মাসিক বন্ধ থাকার পর পেটের এক পাশে তীব্র ব্যথা, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া বা বেশি রক্তপাত হলে সরাসরি জরুরি বিভাগে যান; এগুলো জরায়ুর বাইরে গর্ভধারণের লক্ষণ হতে পারে।
এটা সাধারণ তথ্য, রোগনির্ণয় নয়। আপনার ক্ষেত্রে কী করণীয়, তা আপনার ডাক্তার বলবেন।
এমবিবিএস, ডিজিও, এফসিপিএস (রিপ্রোডাক্টিভ এন্ডোক্রাইনোলজি ও বন্ধ্যাত্ব), এফসিপিএস (গাইনি ও অবস)
অভিজ্ঞতা: তথ্য দেওয়া হয়নি
অভিজ্ঞতা
তথ্য দেওয়া হয়নি
বন্ধ্যাত্ব ও আইভিএফ বিশেষজ্ঞ
এমবিবিএস (ডিএমসি), এফসিপিএস (গাইনি ও অবস), এফসিপিএস (রিপ্রোডাক্টিভ এন্ডোক্রাইনোলজি ও বন্ধ্যাত্ব)
অভিজ্ঞতা: তথ্য দেওয়া হয়নি
অভিজ্ঞতা
তথ্য দেওয়া হয়নি
বন্ধ্যাত্ব ও আইভিএফ বিশেষজ্ঞ, ল্যাপারোস্কোপিক ও হিস্টেরোস্কোপিক সার্জন
বন্ধ্যাত্ব বিশেষজ্ঞ একজন নয়, স্বামী-স্ত্রী দুজনকেই দেখেন; সিমেন অ্যানালাইসিস, ডিম্বস্ফোটন ও টিউবের পরীক্ষা করান, তারপর ওভুলেশন ইনডাকশন, আইইউআই বা আইভিএফ নিয়ে আলোচনা করেন — আর অন্য কারও কাছে যাওয়া দরকার হলে সেটাও স্পষ্ট করে বলেন।
শুরু থেকেই সাধারণত দুজনেরই পরীক্ষা হয়: স্বামীর সিমেন অ্যানালাইসিস, আর স্ত্রীর হরমোনের রক্ত পরীক্ষা, আল্ট্রাসনোগ্রাম এবং প্রায়ই টিউব খোলা আছে কি না তা দেখার পরীক্ষা। আগের রিপোর্ট আর স্ত্রীর মাসিকের তারিখগুলো সঙ্গে নিন।
বন্ধ্যাত্ব জরুরি অবস্থা নয়, তবে বয়স গুরুত্বপূর্ণ — তাই প্রথমবার ডাক্তার দেখানো পিছিয়ে রাখবেন না। মাসিক বন্ধ থাকার পর পেটের এক পাশে তীব্র ব্যথা, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া বা বেশি রক্তপাত হলে সরাসরি জরুরি বিভাগে যান; এগুলো জরায়ুর বাইরে গর্ভধারণের লক্ষণ হতে পারে।
এই মুহূর্তে ২৬ জন, প্রত্যেকের ডিগ্রি, চেম্বারের ঠিকানা, রোগী দেখার সময় ও যোগাযোগ নম্বরসহ। যাচাই হওয়ার সাথে সাথে নতুন প্রোফাইল যোগ হয়।
বেশিরভাগই হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে — এর মধ্যে আছে Lumina IVF & Fertility Center Ltd। প্রত্যেক ডাক্তারের চেম্বারের সঠিক ঠিকানা এবং কোন দিন কখন বসেন তা জানতে তাঁর প্রোফাইল খুলুন।
এখানে বুকিংয়ের কোনো বাটন নেই — যে প্রোফাইলটি চান সেটি খুলুন এবং রোগী দেখার সময়ে চেম্বারের নিজস্ব সিরিয়াল নম্বরে ফোন করুন। সেই নম্বর আর বসার দিন প্রোফাইলে দেওয়া আছে, চেম্বার ফি জানিয়ে থাকলে সেটাও।