
রক্তের গ্রুপ নিয়ে তিনটি সাধারণ প্রশ্নের উত্তর — কে কাকে রক্ত দিতে পারে, বাবা-মায়ের গ্রুপ থেকে সন্তানের গ্রুপ কী হতে পারে, আর আবার কবে রক্ত দিতে পারবেন।
রক্তের গ্রুপ বেছে নিলেই দেখা যাবে কাকে রক্ত দিতে আর কার কাছ থেকে নিতে পারবেন।
মা ও বাবা — দুজনের গ্রুপ বেছে নিলেই সন্তানের সম্ভাব্য গ্রুপগুলো দেখা যাবে।
শেষ রক্তদানের তারিখ বেছে নিলেই দেখা যাবে আবার কবে রক্ত দিতে পারবেন।
রক্ত নেওয়ার আগে কেন্দ্রের ডাক্তার ওজন, প্রেশার ও হিমোগ্লোবিন দেখে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবেন।
O নেগেটিভ গ্রুপের লোহিত কণিকা জরুরি অবস্থায় যেকোনো গ্রুপের রোগীকে দেওয়া যায়, তাই একে ‘সর্বজনীন দাতা’ বলা হয়। আর AB পজিটিভ গ্রুপের মানুষ সব গ্রুপের রক্ত নিতে পারেন — ‘সর্বজনীন গ্রহীতা’।
সন্তান বাবা ও মায়ের কাছ থেকে একটি করে জিন পায়। A ও B প্রকট, O প্রচ্ছন্ন — তাই দুজনই A গ্রুপের হলেও সন্তান O হতে পারে। একইভাবে দুজন পজিটিভ হলেও সন্তান নেগেটিভ হতে পারে, কিন্তু দুজন নেগেটিভ হলে সন্তান নেগেটিভই হয়।
বাংলাদেশে সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ সাধারণত প্রতি ৪ মাস অন্তর এক ব্যাগ রক্ত দিতে পারেন। বয়স ১৮ থেকে ৬০ বছর এবং ওজন নারীদের কমপক্ষে ৪৫ ও পুরুষদের ৪৮ কেজি হওয়া দরকার।
সন্তান পজিটিভ হলে মায়ের শরীরে তার রক্তের বিরুদ্ধে অ্যান্টিবডি তৈরি হতে পারে, যা পরের গর্ভের শিশুর ক্ষতি করতে পারে। গর্ভাবস্থায় ও প্রসবের পর সময়মতো অ্যান্টি-ডি ইনজেকশন নিলে এটি ঠেকানো যায় — তাই শুরুতেই ডাক্তারকে জানান।
গ্রুপ মিললেও রক্ত দেওয়ার আগে হাসপাতালে ক্রস-ম্যাচ ও স্ক্রিনিং করা বাধ্যতামূলক। সন্তানের গ্রুপের হিসাব সাধারণ বংশগতির নিয়মে; খুব বিরল ব্যতিক্রম (যেমন বোম্বে গ্রুপ) হতে পারে।